কক্সবাজারের রামুতে ট্রেনের ধাক্কায় অটোরিকশার পাঁচ যাত্রী নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজনই একই পরিবারের সদস্য। শনিবার (২ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে রামুর রশিদনগর এলাকার একটি অননুমোদিত লেভেল ক্রসিংয়ে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
রামু থানার ওসি তৈয়বুর রহমান জানান, দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচজন হলেন—কক্সবাজার সদর উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের পূর্ব গোমাতলী এলাকার রেনু আরা (৩৫), তার ছোট বোন আসমা আরা (১৩), রেনু আরার দুই শিশু সন্তান আশেক উল্লাহ (৩) ও আতা উল্লাহ (দেড় বছর), এবং অটোরিকশাচালক হাবিব উল্লাহ (৪০), যিনি ঈদগাঁও মেহেরঘোনা এলাকার বাসিন্দা।
রশিদনগর ইউপি সদস্য বদি আলম জানান, অটোরিকশাটি রেললাইন পার হওয়ার সময় ঢাকাগামী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেন সেটিকে ধাক্কা দেয়। ধাক্কা খাওয়ার পর রিকশাটি ট্রেনের সামনে আটকে যায় এবং প্রায় আধা কিলোমিটার পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়। এতে রিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং যাত্রীদের দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে বিভিন্ন স্থানে ছিটকে পড়ে।
রামু রেলস্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার আক্তার হোসেন জানান, যেখানে দুর্ঘটনাটি ঘটে তা একটি অরক্ষিত লেভেল ক্রসিং। সেখানে কোনো গেইট বা ব্যারিয়ার নেই, শুধুমাত্র সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড ছিল।
দুর্ঘটনার পর কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনটি গন্তব্যে পৌঁছালেও ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয়রা ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনটি রামুর পানিরছড়া এলাকায় আটকে রাখেন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটি ছেড়ে দেওয়া হয়।



মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।