চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলা শিকলবাহার হাজী আছন আলী চৌধুরী জামে মসজিদের ওয়াকস্ এস্টেটের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে মসজিদের মোতোয়ালিরা। সোমবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীতে হাজী আছন আলী চৌধুরী জামে মসজিদের ওয়াকস্ এস্টেটের মোতোয়ালিরা এ সংবাদ সম্মেলন করেন। এতে বক্তব্য রাখেন মসজিদের মোতোয়ালি হামিদ মিয়া চৌধুরী, সেলিম চৌধুরী, হুমায়ুন কবির চৌধুরী।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, স্থানীয় একটি চক্র মসজিদের ওয়াকস্ এস্টেটের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারে লিপ্ত রয়েছে। প্রকৃত মোতোয়ালিদের বহিরাগত লোক দিয়ে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। গত শুক্রবার মসজিদের মোতোয়ালি হামিদ মিয়া চৌধুরীর উপর হামলা চালিয়ে বের করে দেয় মসজিদ থেকে। এছাড়াও মসজিদেও মোতোয়ালিদের নামাজ পড়তে যেতে দিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে মোতোয়ালি সেলিম চৌধুরী বলেন, হাজী আছন আলী চৌধুরীর ওয়ারিশ হিসেবে হাইকোর্টের নিদর্শনা ও পরিবারের ওয়ারিশ মোতাবেক ২০১২ সালে জামে মসজিদের ওয়াকস্ এস্টেটের প্রকৃত আমরা তিনজন মোতোয়ালি হই। হাজী আছন আলী চৌধুরী ১৯১৬ সালে শিকলবাহাসহ সর্বস্তরের মুসলিম মিল্লাতের জন্য আল্লাহর ঘর মসজিদ নির্মাণ করেন এবং মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ ও ইমাম মুয়াজ্জিনের সম্মানী প্রদানে জমি সম্পত্তি ওয়াকস্ এস্টেট করে যান। প্রায় ১১০ বছরের পুরানো মসজিদটি নামাজের অনুপযোগী হয়ে পড়লে ওয়াকস্ এস্টেটের নীতিমালা অনুযায়ী ২০১৬ সালে ৩য় তলা বিশিষ্ট মসজিদ পুণঃনির্মাণ করা হয়। সেই সাথে মসজিদের নামে মার্কেট নির্মাণসহ মসজিদে উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়। ওয়াকস্ এস্টেটের সম্পত্তি বিক্রয়, মসজিদ ও মার্কেট নির্মান ও আরও সম্পত্তি ক্রয়সহ যাবতীয় হিসেব-নিকাশ প্রতি বছর ওয়াকস্ এস্টেট অফিসে প্রদান করা হয়েছে। যা দেখে শিকলবাহাসহ কর্ণফুলীর সর্বস্তরের মানুষ প্রসংশা করেছে।
তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি সময়ে একটি বিশেষ মহলের ইন্ধনে মসজিদে সম্পত্তি আত্মসাতে অভিযোগ এনে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে যারা অপপ্রচার চালিয়ে এলাকাবাসীদের মাঝে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি আমরা। এসব বিষয়ে এলাকাবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্যও আহ্বান জানান তিনি।



মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।