কর্ণফুলীতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত স্কুল শিক্ষার্থীর ৫ দিন পর মৃত্যু

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত স্কুল শিক্ষার্থী ৫ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মারা গেছেন। বুধবার (২০ আগস্ট) দিবাগত রাত তিনটার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।

নিহত শিক্ষার্থীর নাম আবদুল খালেদ (১২)। তিনি বড়উঠান ইউনিয়নের দৌলতপুর ৩নং ওয়ার্ডের কুদ্দুস মেম্বারের বাড়ির আব্দুল রহিমের পুত্র। পরিবারে চার ভাই এক বোনের মধ্যে সবাই ছোট খালেক দৌলতপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের স্বজনরা জানান, গত শুক্রবার বিকেলে বড়উঠান গ্যাস পাম্পের সামনে রাস্তা পার হচ্ছি তারা তিন বন্ধু। এ সময় শহরমূখী দ্রুতগতিতে আসা একটা মোটরসাইকেলের ধাক্কায় দেয়। মুহূর্তে সে রাস্তায় ছিটকে পড়লে পিছন দিক থেকে আসা অপর একটি সিএনজি অটোরিক্সা তার পায়ের উপর দিয়ে চলে যায়। এতে মাথা ও পায়ে গুরুতর আঘাত পান। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে আবারও নিয়ে আসা হয় চমেকে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাত তিনটার দিকে মারা যায়। বৃহস্পতিবার আসরের নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছে নিহতের স্বজনরা।

কর্ণফুলী থানার শাহমীরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. রেজাউল হোসাইন বলেন, ঘটনারদিন পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মোটরসাইকেলটি জব্দ করে। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।