কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাচন: শেষদিনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন ১১ প্রার্থী

0

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষদিনে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১১ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত উৎসব মুখর পরিবেশে উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের কর্মকর্তা আবদুর শুক্কুরের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন প্রার্থীরা।

নির্বাচন কর্মকর্তা আবদুর শুক্কুর বলেন, আজ মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষদিন ১১ প্রার্থী ফরম জমা দিয়েছেন। প্রার্থী বাছাই ১০ অক্টোবর ও প্রত্যাহার ১৭ অক্টোবর এবং ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২ নভেম্বর।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উপজেলায় নিরাপত্তা ও নজরদারী বাড়ানো হচ্ছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যাতে কোন ধরণের অঘটন না ঘটে সেদিকে সার্বক্ষণিক নজরদারীর পাশাপাশি ভোটারদের মাঝে সচেতনতা বাড়ানোরও কাজ করা হচ্ছে।

শেষদিন মনোনয়নপত্র জমা দিলেন যারা
মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান ফারুক চৌধুরী, চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী, মাহাবুল আলম তারা, ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ব্যাংকার আমির আহমদ, মোহাম্মদ আব্দুল হালিম, মহিউদ্দিন মুরাদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ডা. ফারহানা মমতাজ, বানাজা বেগম, মোমেনা আকতার নয়ন, মোছাম্মৎ রানু আকতার, মুন্নী আকতার মনোনয়নপত্র জমা দেন।

এদিকে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রার্থী ফারুক চৌধুরীর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ মফিজুর রহমান, আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক এম.এ মান্নান চৌধুরী, সহ সভাপতি এস.এম আলমগীর চৌধুরী, অর্থ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন কন্ট্রাক্টর, কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রনি, শিকলবাহা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি দিদারুল ইসলাম চৌধুরী, চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সোলাইমান তালুকদার প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, এ উপজেলার ৫ ইউনিয়নে ১ লাখ ১৬ হাজার ৫৭২ জন ভোটার রয়েছে। দ্বিতীয় বারের মত অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যাতে কোন ধরনের প্রভাব তৈরি না হয়, সেজন্য গত বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন এক আদেশের মাধ্যমে কর্ণফুলী উপজেলায় আওয়ামী লীগের সম্মেলন বন্ধ করে দেয়। ২০০৯ সালের পর কর্ণফুলীর ৫টি ইউনিয়নে কোন সম্মেলন হয়নি। গঠন করা হয়নি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি। তাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের আগে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন সম্পন্ন করার উপর বাধ্যবাধকতা ছিলো। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের আদেশে আটকে গেছে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm