জনবল সংকটে কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে খাগড়াছড়ির মিনি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারে। স্থাপনের আট বছর পার হলেও এখনো স্থায়ী নিয়োগ না হওয়ায় হ্যাচারি কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়েছে। ফলে স্থানীয় চাহিদা পূরণ না হয়ে অনেক চাষিকে বাইরের জেলা থেকে পোনা সংগ্রহ করতে হচ্ছে।
জানা গেছে, ২০১২ সালে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে মৎস্যচাষ উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প’-এর আওতায় প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে খামারটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০১৭ সালের জুনে শেষ হয়। অনুমোদিত আটটি পদে এখনো নিয়োগ না থাকায় উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা অস্থায়ীভাবে খামার পরিচালনা করছেন।
খামার ব্যবস্থাপক শরৎ কুমার ত্রিপুরা জানান, প্রতি বছর মে-জুনে দেড় লাখ পর্যন্ত পোনা ও ৩০-৩২ কেজি রেনু উৎপাদন হলেও জনবল সংকটে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে অস্থায়ী শ্রমিকের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, যাদের মাসিক বেতন মাত্র পাঁচ হাজার টাকা।
স্থানীয় চাষিরা বলছেন, খাগড়াছড়িতে উৎপাদিত পোনার মান ভালো হলেও পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় তাদের চাহিদা পূরণ হয় না। স্থায়ী জনবল নিয়োগ হলে পাহাড়ি ও বাঙালি উভয় খামারি উপকৃত হবেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. রাজু আহমেদ জানিয়েছেন, দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে উদ্যোগ নিয়েছে মৎস্য অধিদপ্তর।



মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।