চট্টগ্রামের ১৬ আসনে ভোটগ্রহণ শুরু

সারাদেশের মতো চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ। শনিবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ। যা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

সরজমিনে নগরীর বেশ কিছু ভোটকেন্দ্র ঘরে দেখা গেছে শীতের সকালে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। পাড়া-মহল্লা থেকে ভোটাররা ধীরে ধীরে কেন্দ্রে আসছেন। শীতকাল হওয়ার দিনের শুরুতে তেমন ভিড় না থাকলেও ভোটার আনতে তৎপর রয়েছেন প্রার্থী-নেতাকর্মীরা।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১২৫ জন প্রার্থী। এবারের নির্বাচনে জেলায় মোট ৬৩ লাখ ৭ হাজার ৯৯৫ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করবেন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। আশা করছি কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়াই নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারবো।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন ঘিরে এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি টহলে থাকবে র‌্যাবের টহল টিম। এছাড়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন।

চট্টগ্রামের ১৬ আসনে লড়াই ১২৫ জনের

চট্টগ্রাম-১:মীরসরাই উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন এবং মীরসরাই ও বারৈয়ারহাট পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনের মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৬ হাজার ৫২৫ জন।

এবার এ আসনের প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগের মাহবুব উর রহমান রুহেল (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন (ঈগল), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ এমদাদ হোসাইন চৌধুরী (লাঙল), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আব্দুল মন্নান (চেয়ার), বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট মো. ইউসুফ (টেলিভিশন), বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মো. নুরুল করিম আফছার (একতারা) ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী (হাত পাঞ্জা)।

চট্টগ্রাম-২: ফটিকছড়ি উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন এবং ফটিকছড়ি ও নাজিরহাট পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনের মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪৮৭ জন।

এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা হোসাইন মো. আবু তৈয়ব (তরমুজ), স্বতন্ত্র প্রার্থী আরেক আওয়ামী লীগ নেতা মো. শাহজাহান (ঈগল), বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ মাইজভান্ডারী (একতারা), বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী (ফুলের মালা), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ শফিউল আজম চৌধুরী (লাঙল), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মীর মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম (চেয়ার) ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ হামিদ উল্লাহ (মোমবাতি)।

চট্টগ্রাম-৩: সন্দ্বীপের ১৫টি ইউনিয়ন ও সন্দ্বীপ পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনের মোট ভোটার ২ লাখ ৪১ হাজার ৯১৪ জন।

এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গত দুইবারের সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতা (নৌকা)। তার সঙ্গে লড়ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী (ঈগল), জাতীয় পার্টির এম এ ছালাম (লাঙল), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ উল্যাহ খাঁন (মোমবাতি), বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির মুহাম্মদ নুরুল আনোয়ার (একতারা) ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মোহাম্মদ মোকতাদের আজাদ খান (আম)।

চট্টগ্রাম-৪: সীতাকুণ্ড উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন, সীতাকুণ্ড পৌরসভা এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ৯ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ আসনের মোট ভোটার ৪ লাখ ২৭ হাজার ১৭২ জন।

এই আসনে এবার প্রার্থী আওয়ামী লীগের এস এম আল মামুন (নৌকা), তৃণমূল বিএনপির খোকন চৌধুরী (সোনালী আঁশ), বিএনএফ এর মোহাম্মদ আকতার হোসেন (টেলিভিশন), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইমরান (ঈগল), জাতীয় পার্টির দিদারুল কবির (লাঙল), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো মোজাম্মেল হোসেন (চেয়ার) ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরী (ডাব)।

চট্টগ্রাম-৫: হাটহাজারী উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন, হাটহাজারী পৌরসভা এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ আসনের মোট ভোটার ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৭১৩ জন।

এবার জাতীয় পার্টির জন্য এই আসনটি ছাড়তে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এম এ সালামের মনোনয়ন প্রত্যাহার করা হয়।

এই আসনে লড়ছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (লাঙল), স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী (কেটলি), আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নাছির হায়দার করিম বাবুল (ঈগল), তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী সাবেক চাকসু ভিপি মো. নাজিম উদ্দীন (সোনালী আঁশ), বিএনএফ এর আবু মোহাম্মদ শামসুদ্দিন (টেলিভিশন), বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির কাজী মহসীন চৌধুরী (একতারা), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের ছৈয়দ হাফেজ আহমদ (চেয়ার) ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মোখতার আহমেদ (মোমবাতি)।

চট্টগ্রাম-৬: রাউজান উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনের মোট ভোটার ৩ লাখ ১৬ হাজার ৯২০ জন।

এই আসনে লড়ছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী (নৌকা), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ সফিক-উল আলম চৌধুরী (লাঙল), তৃণমূল বিএনপির মো. ইয়াহিয়া জিয়া চৌধুরী (সোনালী আঁশ), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের স.ম. জাফর উল্লাহ (চেয়ার) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিউল আজম (ট্রাক)।

চট্টগ্রাম-৭: রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন, রাঙ্গুনীয়া পৌরসভা এবং বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর ও খরণদ্বীপ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনের মোট ভোটার ৩ লাখ ১৩ হাজার ৯১ জন।

এ আসনে লড়ছেন প্রার্থী আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ (নৌকা), জাতীয় পার্টির মুছা আহমেদ রানা (লাঙল), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ ইকবাল হাছান (মোমবাতি), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আহমদ রেজা (চেয়ার) ও বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির মো. মোরশেদ আলম (একতারা)।

চট্টগ্রাম-৮: শ্রীপুর ও খরণদ্বীপ বাদে বোয়ালখালী উপজেলার বাকি ৮ ইউনিয়ন, বোয়ালখালী পৌরসভা এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৩,৪,৫,৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৫ হাজার ৫৭৩ জন।

এ আসনে লড়ছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী সোলায়মান আলম শেঠ (লাঙল), স্বতন্ত্র প্রার্থী নগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম (কেটলি), নগর আওয়ামী লীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য বিজয় কুমার চৌধুরী (ফুলকপি), বিএনএফ এর এস এম আবুল কালাম আজাদ (টেলিভিশন), তৃণমূল বিএনপির সন্তোষ শর্মা (সোনালী আঁশ), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সৈয়দ মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন (চেয়ার), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মোহাম্মদ ইলিয়াছ (হাতছড়ি), এনপিপির’র কামাল পাশা (আম), বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. মহিবুর রহমান বুলবুল (ডাব) ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. আব্দুন নবী (মোমবাতি)।

চট্টগ্রাম-৯: এ আসন গঠিত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১৫, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৩, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪ ও ৩৫ নম্বর এই ১৪টি ওয়ার্ড নিয়ে। আসনটির মোট ভোটার ৪ লাখ ৯ হাজার ৫৭৬ জন।

এ আসনে লড়ছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (নৌকা), ন্যাপের মিটুল দাশগুপ্ত (কুঁড়েঘর), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ (চেয়ার), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মোহাম্মদ নুরুল হুসাইন (হাতছড়ি), জাতীয় পার্টির সানজিদ রশিদ চৌধুরী (লাঙল) ও তৃণমূল বিএনপির সুজিত সরকার (সোনালী আঁশ)।

চট্টগ্রাম-১০: এ আসন গঠিত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ২৪, ২৫ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে। আসনটিতে এবার মোট ভোটার ৪ লাখ ৮৫ হাজার ৮০৩জন।

প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মহিউদ্দিন বাচ্চু (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক মেয়র মনজুর আলম (ফুলকপি), আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা ফরিদ মাহমুদ (কেটলি), তৃণমূল বিএনপির ফেরদাউস বশির (সোনালী আঁশ), জাসদের আনিসুর রহমান (মশাল), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ আলমগীর ইসলাম বঈদী (মোমবাতি) ও জাতীয় পার্টির জহুরুল ইসলাম রেজা (লাঙল।

চট্টগ্রাম-১১: এ আসন গঠিত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে।

এ আসনে এবার প্রার্থী আওয়ামী লীগের এম এ লতিফ (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগের জিয়াউল হক সুমন (কেটলি), গণফোরামের উজ্জ্বল ভৌমিক (উদীয়মান সূর্য), তৃণমূল বিএনপির দীপক কুমার পালিত (সোনালী আঁশ), এনপিপির নারায়ন রক্ষিত (আম), বিএসপির মো. মহি উদ্দিন (একতারা) ও ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের আবুল বাশার মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন (চেয়ার)।

চট্টগ্রাম-১২: পটিয়া উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও পটিয়া পৌরসভা নিয়ে গঠিত আসনটির মোট ভোটার ৩ লাখ ২৯ হাজার ৪২৮ জন।

এ আসনে লড়ছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরী (ঈগল), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এম এ মতিন (মোমবাতি), বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের এম এয়াকুব আলী (নোঙর), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের কাজী মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন (চেয়ার), বাংলাদেশ কংগ্রেসের ছৈয়দ মুহাম্মদ জয়নুল আবেদীন জেহাদী (ডাব), জাতীয় পার্টির নুরুচ্ছফা সরকার (লাঙল) ও তৃণমূল বিএনপির রাজীব চৌধুরী (সোনালী আঁশ)।

চট্টগ্রাম-১৩: আনোয়ারা উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও কর্ণফুলী উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন নিয়ে। এ আসনের মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৮৬৪ জন।

ভোটে লড়ছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাইফুজ্জামান চৌধুরী (নৌকা), জাতীয় পার্টির আবদুর রব চৌধুরী (লাঙল), তৃণমূল বিএনপির মকবুল আহম্মদ চৌধুরী (সোনালী আঁশ), বিএসপির মো. আরিফ মঈন উদ্দিন (একতারা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মৌলভি রশিদুল হক (বটগাছ), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. আবুল হোসেন (মোমবাতি) ও ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের সৈয়দ মুহাম্মদ হামেদ হোসাইন (চেয়ার)।

চট্টগ্রাম-১৪: চন্দনাইশ উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন, চন্দনাইশ ও দোহাজারী পৌরসভা এবং সাতকানিয়া উপজেলার কেওচিয়া, কালিয়াইশ, বাজালিয়া, ধর্মপুর, পুরানগড় ও খাগড়িয়া ইউনিয়ন নিয়ে এ আসন গঠিত। সেখানে এবার মোট ভোটার ২ লাখ ৮৮ হাজার ২৯৩ জন।

ভোটে লড়ছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী নজরুল ইসলাম চৌধুরী (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার চৌধুরী (ট্রাক), জাতীয় পার্টির আবু জাফর মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ (লাঙল), ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মোহাম্মদ আবুল হোছাইন (চেয়ার), বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের মোহাম্মদ আলী ফারুকী (একতারা), বিএনএফর মো. গোলাম ইসহাক খান (টেলিভিশন) ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সেহাব উদ্দিন মুহাম্মদ আবদুস সামাদ।

চট্টগ্রাম-১৫ : লোহাগাড়া উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন এবং সাতকানিয়া উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও সাতকানিয়া পৌরসভা নিয়ে গঠিত আসনটিতে এবার মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৪১১ জন।

ভোটের লড়াইয়ে আছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবু রেজা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন নদভী (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা এম এ মোতালেব (ঈগল), বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ আলী হোসাইন (মোমবাতি), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মুহাম্মদ সোলাইমান কাসেমী (হাতছড়ি), জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ ছালেম (লাঙল) ও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোটের (ছড়ি)।

চট্টগ্রাম-১৬: বাঁশখালী উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও বাঁশখালী পৌরসভা নিয়ে গঠিত আসনটিতে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭০ হাজার ৭৭৫ জন।

ভোটের লড়াইয়ে আছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান (ঈগল), আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল্লাহ কবির লিটন (ট্রাক), ন্যাপের আশীষ কুমার শীল (কুঁড়েঘর), বাংলাদেশ কংগ্রেসের এম জিল্লুল করিম শরীফি (ডাব), এনপিপির মুহাম্মদ মামুন আবছার চৌধুরী (আম), বাংলাদেশ ইসলামী মোহাম্মদ মহিউল আলম চৌধুরী (মোমবাতি), স্বতন্ত্র মো. খালেকুজ্জামান (বেঞ্চ) ও ইসলামী ঐক্যজোটের শফকত হোসাইন চাটগামী (মিনার)।

মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।