চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) নতুন শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালার আওতায় তিন ধাপের পরীক্ষার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করা হচ্ছে—লিখিত, প্রেজেন্টেশন ও মৌখিক (ভাইভা)। এরই মধ্যে এই পদ্ধতিতে তিনটি বিভাগে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (২৬ জুলাই) উপাচার্যের কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার।
তিনি বলেন, এর আগে কেবল মৌখিক পরীক্ষার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হতো, যা যথাযথ ছিল না। চলতি বছরের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ৫৫৮তম সিন্ডিকেট সভায় নিয়োগ নীতিমালায় পরিবর্তন এনে তিন ধাপের পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নতুন নিয়মে প্রথম ধাপে ৫০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়, যার সময়সীমা ১ ঘণ্টা। এই পরীক্ষায় যারা ৬০ শতাংশ বা তার বেশি নম্বর অর্জন করবেন, কেবল তারাই প্রেজেন্টেশন ও ভাইভার জন্য বিবেচিত হবেন।
উপাচার্য বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত ২৪, ২৫ ও ২৬ জুলাই তারিখে তিনটি বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়েছি। এই প্রক্রিয়ায় যোগ্য প্রার্থী না পেলে পুনরায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন করা হবে।
নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রশংসা করে এক প্রার্থী বলেন, আগে কেবল ভাইভা নিয়ে পুরো নিয়োগ সম্পন্ন হতো, যেটা যথাযথ মনে হতো না। এখন তিন ধাপে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে যোগ্যদের নির্বাচন করা হচ্ছে—এটি প্রশংসনীয়। আশা করি, এই নিয়মটি ভবিষ্যতেও চালু থাকবে।
উল্লেখ্য, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ইংরেজি বিষয়ে নিয়োগ পেতে চারজন প্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এবং ২৫ জুলাই আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে ইংরেজি বিষয়ে নিয়োগ পেতে পরীক্ষায় অংশ নেন ২৯ জন প্রার্থী। আর আজ ব্যাংকিং এন্ড ইন্সুইরেন্স বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অংশ নেন ৪২ প্রার্থী



মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।