নির্বাচনকে ঘিরে একজোট হাজারো নেতাকর্মী, বিশাল শোডাউন

পুরো আনোয়ারা উপজেলাজুড়ে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এই হাওয়ায় একজোট বেঁধে ভোটের মাঠে নেমেছেন উপজেলার হাজারো নেতাকর্মী। দু’বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক চৌধুরীকে দোয়াত কলম প্রতীক ও ভাইস চেয়ারম্যান সুগ্রীব কুমার মজুমদার দোলন তালা প্রতীকে জয়ী করার জন্য বিশাল শোডাউন করেছেন তারা।

শুক্রবার (২৪ মে) বিকেল আনোয়ারা উপজেলার কালাবিবির দীঘির মোড় চায়না ইকোনমিক জোন সড়কে বিশাল শোডাউনের যোগ দেন হাজারও নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। পরে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জেলা পরিষদের সদস্য ও আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি এসএম আলমগীর চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তৌহিদুল হক চৌধুরী ও বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সুগ্রীব কুমার মজুমদার দোলন। এ সময় দুই প্রার্থী হাজারও নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কাছে তাদের নিজ প্রতীকে ভোট চান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তৌহিদুল হক চৌধুরী বলেন, “আনোয়ারার মানুষের অভিভাবক আখতাজ্জামান চৌধুরী বাবু পরিবার। তার সুযোগ্য সন্তান সাবেক সফল ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ এমপি আনোয়ারার মানুষের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন। তার পরামর্শে বিগত ১০ বছর আনোয়ারা উপজেলাকে আমি মডেল উপজেলায় রূপান্তর করেছি। আমি মানুষের সেবা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করে গেছি।”

তিনি বলেন, “মানুষের হক নষ্ট করি নাই। মানুষের জন্য যে দায়িত্ব ছিল তা আমি শতভাগ উজাড় করে দিয়েছি। যার প্রতিদান হিসেবে বাবু পরিবার আমার উপর আস্থা রেখেছে। যার প্রতিদান আজকের হাজার হাজার মানুষের ভালোবাসা। আমি নিজে অন্যায় করি নাই, অন্যায়কে প্রশ্রয় দিই নাই কোন সময়। আগামী ২৯ তারিখ আমাকে নির্বাচিত করতে বাবু পরিবার ইজ্জত রক্ষায় দোয়াত কলম প্রতীকে আমি আপনাদের ভোট প্রার্থনা করছি। আমি আজ এই বিশাল জনসভায় আপনার কথা দিচ্ছি, বিগত ১০ বছরের মত আমি আপনাদের সেবক হিসেবে থাকব।”

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন-দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এমএ হান্নান চৌধুরী মঞ্জু, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এমএ মালেক, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মৃণাল কান্তি ধর, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাব উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম চৌধুরী বাবুল, নোয়াব আলী, ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক বোরহান উদ্দীন চৌধুরী মুরাদ, সদস্য আব্দুল হালিম, জাহেদুল ইসলাম, চেয়ারম্যানদের মধ্যে এমএ কাইয়ূম শাহ্, আমিন শরীফ, অসীম কুমার দেব, আফতাব উদ্দিন চৌধুরী সোহেল, আজিজুল হক বাবুল, মাষ্টার মোহাম্মদ ইদ্রিছ, শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ সৈয়দ, দক্ষিণ জেলা যুবলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এএইচএম ওসমান গণি রাসেল, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক শওকত ওসমান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতিদের মধ্যে মোহাম্মদ শফি, দিদারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে মাঈনুদ্দিন গফুর খোকন, আব্দুল আজিজ, সেলিম, জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।