নেতাকর্মীদের ঈদ উপহার ও ইফতার সামগ্রী পাঠাচ্ছেন বিএনপি নেতা কনক

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দলীয় নেতাকর্মীসহ দুই শতাধিক পরিবারের কাছে ইফতার সামগ্রী, ঈদ উপহার ও নগদ টাকা পৌঁছে দিচ্ছেন বিএনপি নেতা মনজুর মোর্শেদ ভূঁইয়া কনক। প্রতিবছরের মতো এবারও রমজানের শুরু থেকেই তিনি নেতাকর্মী ও বিভিন্ন পরিবারের মাঝে এসব সহায়তা পাঠাচ্ছেন।

মনজুর মোর্শেদ ভূঁইয়া কনক মিরসরাই উপজেলার ৯ নম্বর সদর ইউনিয়নের হাবিব উল্লাহ ভূঁইয়া বাড়ির সন্তান। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি মিরসরাই উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি, সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি, জেলা ছাত্রদলের সদস্য, উপজেলা বিএনপির সদস্যসহ ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ ২০২২ সালে তিনি উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

দলের দুর্দিনে নিজ ইউনিয়নের পাশাপাশি উপজেলা জুড়ে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন বলে জানান স্থানীয়রা। দলীয় নেতাকর্মীদের মামলা, হামলা ও বিভিন্ন সংকটে তিনি সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করে আসছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহাদাত হোসেন বলেন, দলমত নির্বিশেষে সবার কাছে কনক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। বিশেষ করে ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় সদর ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে নেতাকর্মী ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা দেন তিনি। তখন তিন শতাধিক পরিবারের পাশাপাশি উপজেলার অনেক দলীয় নেতাকর্মীর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

এ ছাড়া বিভিন্ন মসজিদ, মক্তব ও নূরানী মাদ্রাসায় সহায়তা, অসহায় মানুষের চিকিৎসা ব্যয়, বিয়ের সহযোগিতা ও শিক্ষার্থীদের ফরম ফিলাপসহ নানা মানবিক কাজে যুক্ত রয়েছেন কনক। তিনি পেশায় একজন সি অ্যান্ড এফ ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গেও জড়িত। তিনি মিরসরাই প্রেসক্লাব ও মিরসরাই অ্যাসোসিয়েশনের দাতা সদস্য। এছাড়া চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের কাস্টমস স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য এবং বিলোনিয়া কাস্টমস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য।

মনজুর মোর্শেদ ভূঁইয়া কনক বলেন, দলের জন্য অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়েছেন তিনি। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দলের দায়িত্ব পালন করা ছিল কঠিন। ২০২২ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর তার বাড়িতে হামলার চেষ্টা ও বোমাবাজির ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন। ২০২৩ সালের ২৯ এপ্রিল মিঠাছড়া বাজারে তাকে হেনস্তার শিকার হতে হয় বলেও জানান।

তিনি বলেন, “জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে আমি প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করি এবং আর্থিক সহযোগিতা করে থাকি। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী দলীয় নেতাকর্মীসহ দুই শতাধিক পরিবারের কাছে ইফতার সামগ্রী, ঈদ উপহার ও নগদ টাকা দিচ্ছি। প্রয়োজনে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “রমজান ছাড়াও সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। এটা আমার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। মানুষের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”

মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।