টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে গিয়ে জেলার অন্তত আড়াই হাজার পরিবার এখনো পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। পানি কমলেও ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় থমকে আছে রাঙামাটি–বান্দরবান সড়কে যানবাহন চলাচল।
কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, হ্রদের পানি বিপৎসীমার ওপরে থাকায় বাঁধের ১৬টি গেট দিয়ে পানি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকালেও হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল ১০৮.৭৪ ফুট।
পানিবন্দী পরিবারগুলোর বেশির ভাগই রাঙামাটি সদর, বাঘাইছড়ি ও লংগদু উপজেলার। এর মধ্যে সাতটি আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছে ১০৩টি পরিবার। মাস্টারপাড়া, বিহারপুর, আমতলী ও খেদারমারাসহ বিভিন্ন এলাকায় এখনো শত শত পরিবার চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছে।
এছাড়া মানিকছড়ির বিসিক শিল্পনগরী পানিতে ডুবে থাকায় অন্তত ১৫টি কারখানা এখনো কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে। সড়কে পানি থাকায় পণ্য পরিবহনও ব্যাহত হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা পরিবারগুলোর জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্যদের শুকনা খাবারসহ জরুরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন লংগদুর ইউএনও মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন।



মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।