চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার আধুনগরে ডলুখালের ভাঙনে হুমকিতে রয়েছে একটি জনগুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ক ও শতবর্ষী কবরস্থানসহ একটি মসজিদ। অব্যাহত ভাঙনে যেকোনো মুহূর্তে বিলীন হতে পারে সড়কটি। একইসাথে খালগর্ভে হারিয়ে যাবে কবরস্থানটিও। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন হাজারো মানুষ। দ্রুতসময়ের মধ্যে ভাঙন রোধের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আধুনগর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মিয়া পাড়া ও গুনু চৌকিদার পাড়ার শতবর্ষী কবরস্থান এবং মসজিদের পাশে ডলুখালের একাধিকস্থানে দেখা দিয়েছে ভাঙন। বর্ষা এলেই আগ্রাসী হয়ে উঠে খালটি। ইতোমধ্যে বিভিন্ন সময়ের ভাঙনে মিয়া পাড়া সড়কের বেশকিছু অংশ খালগর্ভে বিলীন হয়ে স্থানীয়দের চলাচল করতে হচ্ছে কবরস্থানের জায়গায়। যেকোনো মুহূর্তে অক্ষত অংশটিও ভেঙে কবরস্থানসহ বিলীন হয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় ইয়াসিন আরফাত বলেন, কবরস্থানের পাশেই ডলুখালের ভাঙন চলছে। ভাঙন এতোটাই তিব্র আকার ধারণ করেছে ইতোমধ্যে সড়কের বেশকিছু অংশ খালগর্ভে বিলীন হয়ে স্থানীয়দের চলাচল করতে হচ্ছে কবরস্থানের জায়গায়। যেকোনো মুহূর্তে অক্ষত অংশটিও ভেঙে কবরস্থানসহ বিলীন হয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
নুরুল আমিন বলেন, কবরস্থানটি আমাদের অনেক পুরনো। পাশে রয়েছে ডলুখাল। সাম্প্রতিক সময়ে খালের ভাঙনে কবরস্থান বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ইমামুল আবেদীন রিপন বলেন, আমাদের এ সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন কয়েকহাজার মানুষ যাতায়াত করে। খালের ভাঙনে সড়কসহ আমাদের পারিবারিক কবরস্থানটি বিলীন হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দীন বলেন, এলাকাটি পরিদর্শন করে বিষয়টি ইউএনও এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানিয়েছি। আশা করছি, তারা দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নিবেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) চট্টগ্রামের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আনীস হায়দার বলেন, ভাঙনকবলিতস্থান পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ ইনামুল হাছান বলেন, বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগ করে দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।



মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।