চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার পদুয়ায় হাঙর খালের ভাঙনে দিশাহারা হাজারো পরিবার। দিন যতই বাড়ছে ভাঙনের আকার ততই বড় হচ্ছে। ভরা বর্ষা শুরুর পূর্বে এসব ভাঙন সংস্কার করা না হলে খালের পানিতে ঘরবাড়ি বিলীন এবং ফসলি জমিসহ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ একযুগেরও বেশি সময় ধরে এ অবস্থা চললেও সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তবে সবচেয়ে বেশি ভাঙন দেখা দিয়েছে কয়েকবছর ধরে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পদুয়া ইউনিয়নের ফরিয়াদেরকুল থেকে জঙ্গল পদুয়া পর্যন্ত একাধিকস্থানে দেখা দিয়েছে ভাঙন। এরমধ্যে কোথাও রয়েছে খালের পাশে খণ্ডখণ্ড কয়েকহাজার পরিবারের বসবাস কোথাও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ক্ষেত-খামার। ইতোমধ্যে বিভিন্ন সময় এ এলাকার শতাধিক ঘরবাড়ি ফসলিজমিসহ একাধিক স্থাপনা খালের ভাঙনে বিলীন হয়েছে। এছাড়া হুমকির মুখে রয়েছে ফরিয়াদেরকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য এহসান সিকদার বলেন, হাঙর খালে যেভাবে ভাঙন শুরু হয়েছে যদি এ বর্ষার আগে সংস্কার করা না হয় তাহলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, খালের ভাঙনে পানি লোকালয়ে ঢুকে আশপাশের বিভিন্ন এলাকাসহ পদুয়া বাজার পর্যন্ত প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কৃষক রহিম বলেন, খালের পাড় ভেঙে প্রায় প্রতিবছরই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ঘরবাড়ি এবং ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তবে কয়েকবছর ধরে ভাঙনটা বিধ্বংসী রুপ ধারণ করেছে। আমরা দ্রুততার সাথে এর সংস্কার চাই।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত ইবনে সাহীদ বলেন, পরিদর্শন শেষে ভাঙনকবলিত অংশ পরিমাপ করা হয়েছে। তবে এখনো বরাদ্দ পাইনি; না পেলেও বোর্ডের অনুমতি নিয়ে জরুরিভিত্তিতে মেরামত করা হবে।



মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।