পাঠকের হাতে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মুসার জীবনীগ্রন্থ ‘তিনি একজন’

চট্টগ্রাম বইমেলায় পাঠকদের কাছে পৌঁছে গেল বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মোহাম্মদ মুসা’র জীবনীগ্রন্থ ‘তিনি একজন’ বইটি।

শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সহ- সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন বাবুল।

বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বইটি পাঠককে দৃঢ়চেতা হওয়ার প্রেরণা যোগাবে। দেশের প্রতি মমতা বাড়াবে। পাঠকরা এ থেকে উপকৃত হবেন। বই মানুষকে সামাজিক অবক্ষয় থেকে দুরে রাখে এবং জ্ঞানের দুয়ার খুলে গেলে অপশক্তির কপাট বন্ধ হয়ে যায়। নতুন পাঠক সৃষ্টি করতে ভালো বইয়ের বিকল্প নেই।

তিনি বইটি প্রকাশের উদ্যোগ নেয়ায় জাগৃতি সংগঠনকে সাধুবাদ জানান। ভবিষ্যতে আরও বেশি সামাজিক কাজে জাগৃতির পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ‘তিনি একজন’ বইটি পড়ে আমার মনে দৃঢ় বিশ্বাস জন্মেছে যে বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মোহাম্মদ মুসা অবহেলিত শ্রমিক শ্রেণির স্বার্থসচেতনতাকে প্রাধান্য দিতেন। গণমানুষের অধিকারসচেতন এধরনের মনীষীদের অনুসরণ করে আমরা সাম্যের সমাজ বিনির্মাণ করতে পারি৷

আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন হাটহাজারী উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম রাশেদুল আলম, জাগৃতির সভাপতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ইফতেখার উদ্দীন মো. আলমগীর, লেখকের জ্যেষ্ঠ কন্যা সোনিয়া নার্গিস লিপি, শিশু সাহিত্যিক শুকলাল দাশ, লেখিকা রেহানা আক্তার, মেজাহেরুল ইসলাম,দৈনিক নয়া বাংলার সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ হীরু,আবুল কালাম বাছিক,নাজিম উদ্দীন মো.ওসমান।

বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মুসা উত্তর চট্টলার এক স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। তিনি
১৯৬৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আরও কয়েকজন উদ্যোমী যুবক মিলে প্রতিষ্ঠা করেন ‘জাগৃতি’।

তিনি অনেকবার জাগৃতির সম্মানিত সভাপতিসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। তাইতো এবারে মৃত্যুবার্ষিকীতে “তিনি একজন” শীর্ষক স্মারক গ্রন্থটির আত্মপ্রকাশ করে জাগৃতি।

এই স্মারক গ্রন্থটিতে মুদ্রিত হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মুসার জীবন থেকে নেওয়া কিছু প্রকাশনা ও উনার সহযোদ্ধার তার অনন্যতার বর্ণনা৷

তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে সশস্ত্র অংশগ্রহণ করে দেশকে স্বাধীন করেছেন। দৈনিক নয়াবাংলা’র সাংবাদিকতা ও আইন পেশার মাধ্যমে জনগণের সেবা করেছেন চট্টলার এ কৃতি সন্তান৷

মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।