চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় এবার কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ৭ লাখ ৮৩ হাজারের বেশি গবাদি পশু। স্থানীয়ভাবে পশুর উৎপাদন গত বছরের তুলনায় কিছুটা কমলেও কোরবানিতে পশুর সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা। অন্যদিকে ইতোমধ্যেই চট্টগ্রামের বিভিন্ন খামারে শুরু হয়েছে পশুর অগ্রিম কেনাবেচা।
আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম মহানগর ও উপজেলাগুলোতে স্থানীয়ভাবে ৭ লাখ ৮৩ হাজার ৫৫টি গবাদিপশু হৃষ্টপুষ্ট করা হয়েছে। যা গতবছর ছিল ৮ লাখ ৬০ হাজার ৮৮২টি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে স্থানীয়ভাবে পশু উৎপাদন কমেছে ৭৭ হাজারের বেশি। এ বছর স্থানীয়ভাবে হৃষ্টপুষ্টকৃত গরুর সংখ্যা ৪ লাখ ৯৯ হাজার ২৭৯, ছাগল ১ লাখ ৯৪ হাজার ৫১৯, মহিষ ৪৭ হাজার ৮৩৪, ভেড়া ৪১ হাজার ৪২৩টি।
জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবছর চট্টগ্রামে কোরবানিতে চাহিদা রয়েছে ৮ লাখ ১৮ হাজার ৬৭১টি গবাদিপশুর। সে হিসেবে এবার স্থানীয় উৎপাদনের বিপরীতে ৩৫ হাজারের কিছু বেশি গবাদিপশুর ঘাটতি রয়েছে। যদিও প্রতি বছরই কোরবানিতে চট্টগ্রামে পশুর কিছুটা ঘাটতি থাকে। সেই চাহিদা পূরণ করা হয় অন্য জেলা থেকে পশু এনে। বিদেশ থেকে পশু আমদানি বন্ধ থাকায় এবার ভালো দাম পাওয়ার আশা খামারিদের।
খামারিরা বলছেন, গো–খাদ্য ও বিভিন্ন ওষুধপত্রের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি খামারে নিয়োজিত শ্রমিকের মজুরি বেড়েছে। সব মিলিয়ে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণে খরচ বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ। এতে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন খামারিরা। ফলে কমেছে স্থানীয় উৎপাদন। তবে এতে পশু সংকট হবে না বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।
চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ের পর থেকেই পশুর কেনাবেচা পুরোদমে শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা


