শান্তিরহাটের ‘অশান্তি’ এখন পদুয়া বাজারে!

যানজটে নাকাল জনজীবন

একসময় পটিয়ার শান্তিরহাটে যানেরজটে অতিষ্ঠ ছিলো যাত্রীরা। তাই দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষেরা শান্তিরহাটকে অশান্তি হিসেবে দেখতো। কারণ এস্থানে দীর্ঘক্ষণ যানজটে আটকে থাকতে হতো। তবে এখন সেখানে সড়ক প্রশস্তকরণ, ডিভাইডার এবং ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের ফলে শান্তিরহাটে শান্তি ফিরেছে। তবে শান্তিরহাটের সেই অশান্তি এখন চেপে বসেছে লোহাগাড়া উপজেলার প্রবেশদ্বার পদুয়া বাজারে। সারাক্ষণ যানজটে নাকাল অবস্থা থাকে এ বাজারে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক হওয়ায় যানজটকে কেন্দ্র করে সময় অপচয় হচ্ছে দুরদুরান্তের যাত্রীদের।

লোহাগাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল্লাহ চৌধুরী বলেন, মহাসড়ক এবং দুপাশে অবৈধ যানবাহন দাড়িয়ে থাকে। বিভিন্ন মালামাল রেখে ফুটপাত বেদখল। সড়কের পাশে ব্যক্তিগত নির্মাণসামগ্রী রাখা এবং সড়কের পাশে অবৈধ সিএনজি স্ট্যান্ড যানজটের অন্যতম কারণ।

মো. হেফাজত বলেন, পদুয়ায় যানজটের একমাত্র কারণ ঈগল পরিবহন। ২-৩টা গাড়ি একসাথে পুরো সড়ক দখল করে রাখে এবং পেছনের গাড়িকেও সাইড দেয় না।

স্থানীয় নুরুল ইসলাম সিকদার বলেন, প্রতিদিন যানজটকে কেন্দ্র করে সময় অপচয় হচ্ছে দুরদুরান্তের যাত্রীদের। এ বাজারে একজন ট্রাফিক পুলিশ সদস্য দায়িত্বপালন করলে যানজট কিছুটা কমবে।

নেছারুল হক বলেন, লোহাগাড়া থেকে চট্টগ্রাম শহরে নিয়মিত আসাযাওয়া করি কিন্তু পদুয়ার যানজটটি লক্ষণীয়। জায়গায় জায়গায় এমন জটের কারণে গন্তব্যে পৌঁছাতে বিলম্ব হয়ে যার প্রভাব পড়ে কর্মক্ষেত্রে।

ট্রাফিক ইনচার্জ (টিআই) পরিদর্শক হাসানুজ্জামান হায়দার বলেন, লোকাল বাসগুলো দাড়িয়ে থেকে যাত্রী উঠানামা করা পদুয়া বাজারে যানজটের অন্যতম কারণ। এছাড়া সিএনজিতো আছেই। এদেরকে মামলা দিয়েও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, জনবল সংকটের কারণে সেখানে নিয়মিত ট্রাফিক সদস্য দেয়া যাচ্ছে না। জনবল চাহিদা পাঠিয়েছি। আশা করছি অচিরেই সমস্যাটি সমাধান হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, যেহেতু যোগদান করেছি বেশিদিন হয়নি তাই বিষয়টি জানা ছিল না। দ্রুতসময়ের মধ্যে সমস্যাটি সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হবে।

মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।