মারমা জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী উৎসব সাংগ্রাইকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়িতে জলকেলি উৎসবে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এই উৎসব ঘিরে শহরজুড়ে ছিল বর্ণিল সাজ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কড়া নজরদারি।
মঙ্গলবার সকালে খাগড়াছড়ি শহরের পানখাইয়া পাড়ার বটতলীতে জলকেলি উৎসবের উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
উদ্বোধনের পর অতিথিরাও ঐতিহ্যবাহী জলকেলি অনুষ্ঠানে অংশ নেন। মারমা তরুণ-তরুণীরা একে অপরের ওপর পানি ছিটিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায় এবং ঐতিহ্যগত বিশ্বাস অনুযায়ী পবিত্রতার বার্তা ছড়িয়ে দেয়।
মারমা উন্নয়ন সংসদের আয়োজনে পাঁচ দিনের সাংগ্রাই উৎসবের চতুর্থ দিনে এই জলকেলি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মারমা জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী পোশাক, ধর্মীয় আচার, লোকসংস্কৃতি ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে।
সাংগ্রাই উৎসবকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। উৎসব ঘিরে স্থানীয় প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে পরিস্থিতি ছিল শান্তিপূর্ণ।
খাগড়াছড়িতে আয়োজিত সমন্বিত বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী জলকেলি পুরো আয়োজনকে দেয় ভিন্নমাত্রার আনন্দ ও প্রাণচাঞ্চল্য।


