উপকূলবাসীর ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী ইসমাইল

উপকূলীয় এলাকায় জন্ম ও বেড়ে ওঠা। বন্যা-ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব দেখেই বড় হয়েছেন দক্ষিণ জেলা ছাত্রদল নেতা মো. ইসমাইল বিন মনির। উপকূলের মানুষের জীবনসংগ্রাম তার মনে গভীর ছাপ ফেলেছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই অবহেলিত উপকূলীয় জনপদের উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে এবার রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে এক মতবিনিময় সভায় ইসমাইল বিন মনির বলেন, উপকূলীয় জনপদ রায়পুর ইউনিয়নের টেকসই উন্নয়ন ও জনসেবা নিশ্চিত করতে আমি এ অঞ্চলের মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই।

জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধ ও সুপেয় পানির সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি এই লোনাপানির সন্তান। জন্ম ও বেড়ে ওঠা নদীর উপকূলে। আমাদের লড়াই প্রকৃতির সঙ্গে। তাই উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি একটি আধুনিক ও স্মার্ট মডেল ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, কৃষি, মৎস্য ও শিক্ষা খাতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে চাই।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ইসমাইল বিন মনির বলেন, প্রতিকূল সময়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আহ্বানে এবং দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের নির্দেশনায় রাজপথে সক্রিয় ছিলাম। দেশ রক্ষা, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলনে অংশ নিয়েছি। এ সময়ে আমার ইউনিয়নের ছাত্র-জনতা আমাকে সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমার দল এখন ক্ষমতায়। তাই জনগণের পাশে দাঁড়ানো আমার দায়িত্ব। সেই লক্ষ্য থেকেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে মানুষের সেবা করার সুযোগ নিতে চাই।

লায়ন মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত এই ছাত্রদল নেতা বলেন, আমি চাই অবহেলিত রায়পুর ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করতে। যেখানে থাকবে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন। ইউনিয়ন পরিষদ হবে জনগণের সেবার কেন্দ্র—যেখানে দুর্নীতি বা অনিয়মের কোনো সুযোগ থাকবে না।

সবশেষে তিনি বলেন, উপকূলবাসীর ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতে চাই। আমার ইউনিয়নকে আধুনিক, মাদকমুক্ত ও কর্মসংস্থানমুখী হিসেবে গড়ে তুলতে সবার দোয়া ও সমর্থন কামনা করছি।

মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।