চট্টগ্রামে আলোচিত ৩৫০ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই মামলার ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ডিবি (উত্তর) বিভাগ ও পাঁচলাইশ থানা পুলিশ। এ সময় ছিনতাই হওয়া ২৯০ ভরি স্বর্ণের বার এবং ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে স্বর্ণের বারগুলো উদ্ধার করা হয়। এ সময় ছিনতাইচক্রের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সুমন চন্দ্র দাস (৪২), মো. মাসুদ রানা ওরফে বাইক বাবু (৩০), রফিকুল ইসলাম ওরফে ইমন (২২), রবি কুমার দাস (৪০), পান্না রানী দাস দিপালী রানী দাশ (৩৮) ও বিবেক বনিক (৪২)।
তাদের মধ্যে সুমন চন্দ্র দাস পুলিশের সাবেক এএসআই। বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকায় তাকে বরখাস্ত করা হয়। এর আগেও স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি।
পুলিশ জানায়, ৪ জানুয়ারি ভোরে সবুজ দেবনাথ দুই সহযোগীকে নিয়ে একটি সিএনজি অটোরিকশায় করে কোতোয়ালির সাব এরিয়া এলাকা থেকে বায়েজিদ বোস্তামীর অক্সিজেন এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে আতুরার ডিপো এলাকায় পৌঁছালে দুটি মোটরসাইকেলে থাকা চার ছিনতাইকারী তাদের পথরোধ করে ভয়ভীতি ও মারধর করে ৩৫টি স্বর্ণের বার, তিনটি মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় ৫ জানুয়ারি পাঁচলাইশ মডেল থানায় মামলা করা হয়।
পুলিশের দাবি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন চন্দ্র দাস স্বীকার করেন, তার নেতৃত্বেই পরিকল্পিতভাবে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।
সিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-উত্তর) হাবিবুর রহমান প্রামাণিক বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে শুক্রবার সকালে ঢাকার মোহাম্মদপুরের রায়ের বাজার এলাকায় একটি বাসা থেকে একটি কাগজের বাক্স উদ্ধার করা হয়। ওই বাক্সের ভেতর মোড়ানো অবস্থায় ২৯টি সোনার বার পাওয়া যায়। উদ্ধার হওয়া সোনার ওজন ২৯০ ভরি। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।



মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।