লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টিও সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, আমি ৭১ সালে সর্বপ্রথম বিদ্রোহ করেছিলাম। জিয়াউর রহমান সাহেবকেও বলেছিলাম, কিন্তু তিনি আমার কথা সম্ভবত বুঝতে পারেনি। আমি সেইদিন জিয়াউর রহমান সাহেবকে ফিরিয়ে না আনলে পাকিস্তানিরা তাকে মেরে ফেলত। এখন বিএনপির দেশ চালানোর কোন ক্ষমতা নেই। তারা আগে কীভাবে দেশ চালিয়েছে সেটা জনগণ দেখেছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের আনোয়ারার চাতরী চৌমুহনী টানেল মোড়ে ১১ দলীয় জোট ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরীর সমর্থনে নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন তিনি।
কর্নেল অলি বলেন, আমি বিএনপি ছেড়েছি কি জন্য? আমি দেখেছি রোগিটি আর বাঁচবে না মরা পোয়া নিয়ে কেঁদে লাভ নেই। এটাকে কবর দিয়ে ফেলেন। এখন যারা আল্লাহ্ ও রাসুলের পথে কাজ করবে, চাঁদাবাজি, মাস্তানী, টেন্ডারবাজি, ব্যাংকের টাকা লুট করবে না। সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবে, নারীদের জন্য কর্মস্থানের ব্যবস্থা করবে, দেশের মানুষ নিরাপদ থাকবে সেটা হচ্ছে ১১ দলীয় জোটের কাছে। ৫ আগষ্টের পর জামায়াত ইসলামী মন্দির পাহারা দিয়েছে। সুতরাং সবধর্মের লোক আমাদের কাছে নিরাপদ। আমরা সরকার গঠন করব, চোরদের এদেশ থেকে দৌঁড়াব।
অলি আহমদ বীর বিক্রম আরও বলেন, দেশ দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে দিল্লীর দালাল অন্যদিকে বাংলাদেশের জনগণের দালাল। আমরা আপনাদের দালাল জনগণের দালাল। জামায়াত মাইর খায়, কিন্তু মাল খায় না। আর বিএনপি মাল খায় মাইর খায় না।
তিনি বলেন, দক্ষিণ চট্টগ্রামের সড়ক, স্কুল কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরের উন্নয়ন আমি করেছি। দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, বোয়ালখালী, কক্সবাজারে একাধিক কলেজ সরকারীকরণ করেছি। বিএনপি ও মোদিও গোলামদের ভোট দিলে দেশের উন্নয়ন হবেনা।
অধ্যক্ষ মাওলানা ইসমাঈল হক্কানীর সভাপতিত্বে ও আনোয়ারা উপজেলার সেক্রেটারী আবুল হাসান খোকা এবং কর্ণফুলী উপজেলার সেক্রেটারী নুরউদ্দীন জাহাঙ্গীরের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা ছিলেন ১১ দলীয় জোট ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলার আমির মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামী-অঞ্চল টিম সদস্য জাফর সাদেক, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জুবায়েরুল আলম মানিক, নেজামে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর মাওলানা জিয়াউল হাসান জিয়া, চট্টগ্রাম জেলার খেলাফত মজলিসের সভাপতি হাফেজ মাহবুবুর রহমান হানিফ, দক্ষিণ জেলার বাংলাদেশ লেবার পার্টি-সভাপতি জুনু মিয়া, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় শিক্ষা সম্পাদক মুহাম্মদ ইব্রাহিম, চট্টগ্রাম জেলার জামায়াতে ইসলামী সহকারী সেক্রেটারী মুহাম্মদ জাকারিয়া, ছাত্রশিবির পশ্চিমের সভাপতি আব্দুর রহিম, খেলাফত মজলিস-সভপতি মাওলানা মুফতি ইমরান ইসলামাবাদী, আনোয়ারার আমির বীরমুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার আব্দুল গণি, কর্ণফুলীর আমির মাস্টার মুনির আবছার চৌধুরী প্রমুখ।



মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।