চট্টগ্রামের জেলা পুলিশের সুপার (এসপি) রায়হান উদ্দিন খান বলেছেন, আমরা সাধারণ ডায়েরি করি, সেখানে হয়তো এক ঘণ্টা লাগে, আধঘণ্টা লাগে। কিন্তু আমরা চাই কুইক রেসপন্স করতে। সবগুলো সেবা প্রদানের সময় যেন আমরা কম সময়ে নিয়ে আসতে পারি। আমরা কুইক রেসপন্স করার বিষয়ে কাজ করতে চাই।
বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরের ষোলশহর ২নম্বর গেইট এলাকার কার্যালয়ে চট্টগ্রামে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর পুলিশি কার্যক্রম একেবারে ভেঙে পড়েছিল। ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আমরা পুরোদমে কাজ করতে চাই। এক্ষেত্রে আমাদেরকে তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে যে কেউ সহযোগিতা করতে পারবেন। আমরা থানায় সেবার মান বৃদ্ধি করতে চাই। এক্ষেত্রে জনগণের সহযোগিতা চাই।
মামলার তদন্তে মান নিশ্চিত করার কথা জানিয়ে রায়হান উদ্দিন বলেন, বিভিন্ন থানায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্তের ক্ষেত্রে মান নিশ্চিত করতে চাই। যাতে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ফলাফল পাওয়া যায়। মাঠপর্যায়ে পুলিশের কার্যক্রম পরিবর্তন করব। যাতে জেলার মানুষ সহজে ও দ্রুত পুলিশের সেবা পায়। আমাদের তদন্ত হবে এভিডেন্স বেইজড। সেক্ষেত্রে ভালো রেজাল্ট আসবে।
বৈধ অস্ত্র জমা এবং লুটকৃত অস্ত্রের বিষয়ে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত লাইসেন্স পাওয়া যেকোনো অস্ত্র ৪ সেপ্টেম্বরের অবৈধ। যদি এরকম কোনো অস্ত্রের তথ্য থাকে আমাদের নির্দিষ্ট নম্বরে আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। আমরা চাই সবাই সহযোগিতা করুক। অগাস্টে লুটকৃত অস্ত্রগুলো উদ্ধার করার জন্য আমরা জনগণের সহযোগিতাও চাই।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এ. এন. এম ওয়াসিম ফিরোজ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) সুদীপ্ত সরকার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আসাদুজ্জামান।



মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।