সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা ও রেসিডেন্সি আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ফেডারেল ডিক্রি-ল’ নং ২৯ অব ২০২১ অনুযায়ী, ভিসা সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধে কারাদণ্ড, মোটা অঙ্কের জরিমানা এবং দেশ থেকে বহিষ্কারের (ডিপোর্টেশন) বিধান রয়েছে।
গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে ভিসা আইনের এমন ১০টি গুরুতর অপরাধের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে, যেগুলোর কারণে প্রবাসীরা আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন।
এর মধ্যে রয়েছে অবৈধভাবে দেশে অবস্থানকারী কাউকে আশ্রয় বা চাকরি দেওয়া, ভিজিট ভিসায় কাজ করা, ভিসার উদ্দেশ্যের বাইরে ব্যবহার, ভিসা আবেদনে মিথ্যা তথ্য প্রদান, জাল ভিসা বা সরকারি নথি তৈরি ও ব্যবহার, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান, অবৈধ অনুপ্রবেশে সহায়তা, পলাতক কর্মী নিয়োগ এবং স্পন্সরশিপ ব্যবস্থার অপব্যবহার।
আইন অনুযায়ী, অবৈধ অভিবাসীকে আশ্রয় বা সহায়তা করলে কমপক্ষে দুই মাসের কারাদণ্ড এবং এক লাখ থেকে ৫০ লাখ দিরহাম পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। অন্যদিকে জাল ভিসা, রেসিডেন্সি পারমিট বা সরকারি নথি তৈরি ও ব্যবহারের মতো অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
এ ছাড়া ভিসা বা রেসিডেন্সি আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার দিরহাম জরিমানা হতে পারে। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দেশে অবস্থান করলে প্রতিদিনের ভিত্তিতে জরিমানা আরোপ করা হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমিরাতে বসবাসরত প্রবাসীদের ভিসা ও রেসিডেন্সি সংক্রান্ত নিয়ম-কানুন সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। আইন লঙ্ঘন করলে শুধু জরিমানা বা কারাদণ্ডই নয়, ভবিষ্যতে দেশটিতে প্রবেশের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।


