কক্সবাজার শহরের হোটেল-মোটেল জোনে সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন। অভিযানে সড়কের পাশে নির্মিত বেশ কয়েকটি দোকান ও স্থাপনা স্ক্যাভেটর দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) শহরের বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে প্রশাসন, পুলিশ, পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট শ্রমিকরা অংশ নেন। সরকারি জায়গা চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে দখলমুক্ত করার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের হেরিটেজ ভবনের পাশের সরকারি জায়গায় নির্মিত বিভিন্ন স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে এসব জায়গা দখল করে দোকানপাট ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। অভিযানের সময় প্রশাসনের কর্মকর্তারা সরকারি জায়গা চিহ্নিত করে সেগুলো দখলমুক্ত করেন।
এ ছাড়া সড়কের পাশ ও বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের চলাচলের পথ দখল করে নির্মাণ করা দোকান, ছাউনি ও অস্থায়ী স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হয়। সংশ্লিষ্টদের স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর কয়েকটি স্থাপনা স্ক্যাভেটর দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়। এ সময় অনেকে নিজেদের মালামাল সরিয়ে নেন।
হেরিটেজ ভবনের পাশের আরেকটি ভবনের সামনেও সরকারি জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। অভিযানকালে সেসব স্থাপনাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শহরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন এলাকায় সরকারি জায়গা দখল করে দীর্ঘদিন ধরে দোকানপাট, ছাউনি ও অস্থায়ী স্থাপনা গড়ে উঠলেও কার্যকর উচ্ছেদ অভিযান না থাকায় দখলদারিত্ব বাড়ছিল। এতে সরকারি সম্পত্তি বেহাত হওয়ার পাশাপাশি সড়ক ও জনসাধারণের চলাচলের পথ সংকুচিত হচ্ছে।
সচেতন মহলের মতে, উচ্ছেদের পাশাপাশি এসব জায়গায় নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন। উচ্ছেদের পর যাতে পুনরায় সরকারি জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা না হয়, সে জন্য আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
শহরের বিভিন্ন এলাকায় সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।


