চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) অনুষ্ঠিত বার্ষিক লেখক সম্মাননা ও আলোচনা সভায় বক্তারা তরুণদের পড়াশোনা ও লেখালেখির মাধ্যমে সমাজ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
শনিবার দুপুরে চবির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, চবি শাখার উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল। তিনি বলেন, “পড়ালেখা মনের অন্ধকার জগতকে আলোকিত করে। তবে আপনি যদি প্রচুর না পড়েন, একজন ভালো শ্রোতা বা পাঠক না হন, তাহলে আপনি লিখতে পারবেন না।”
তিনি আরও বলেন, পড়তে পড়তে যখন তা নিজের মধ্যে ধারণ করা সম্ভব হবে না, তখন সেই ভাবনাই মৌলিক লেখায় রূপ নেবে। লেখার শুরুতে ভুল হওয়াকে স্বাভাবিক উল্লেখ করে তিনি তরুণ লেখকদের হতাশ না হওয়ার পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য ও চবি সিনেট সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেন, জুলাইয়ের পর বাংলাদেশকে নতুন চিন্তা, চেতনা ও কর্মের মাধ্যমে গড়ে তুলতে হবে। পুরোনো ঘৃণা, সংঘাত ও রাজনীতির পরিবর্তে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি বলেন, লক্ষ্য ছাড়া কোনো কিছু অর্জন করা যায় না। একইভাবে জাতি গঠনের লক্ষ্যও লেখকদের মধ্যে থাকতে হবে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কর্মকাণ্ড মেধার ভিত্তিতে পরিচালনার প্রত্যাশাও জানান তিনি।
চবি লেখক ফোরামের সভাপতি আই এইচ ইমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন চবির উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন। প্রধান আলোচক ছিলেন যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আর রাজী।
অনুষ্ঠানে পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী ও রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি ড. শফিকুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে চবি লেখক ফোরামের সদস্য, বর্ষসেরা লেখক ও সংগঠক এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। এতে প্রায় চার থেকে পাঁচ শত শিক্ষার্থী অংশ নেন।


