কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ২০ দিনের ব্যবধানে দুটি শিশু চুরির ঘটনায় হাসপাতালের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দুটি ঘটনায় এখনো কাউকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
গত ১৯ সেপ্টেম্বর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড থেকে সাত মাস বয়সী রাকিবকে এক অজ্ঞাতপরিচয় নারী চুরি করে নিয়ে যান। এরপর ৯ অক্টোবর রাতে হাসপাতালের নবজাতক ও বিশেষ পরিচর্যা ইউনিট (স্ক্যানু) থেকে বোরকা ও মাস্ক পরা এক নারী আরেকটি নবজাতককে নিয়ে যান।
পুলিশের তদন্তে হাসপাতালের অধিকাংশ সিসিটিভি ক্যামেরা বিকল কিংবা অস্পষ্ট ফুটেজ দেওয়ার তথ্য উঠে এসেছে। এতে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করতে বেগ পেতে হচ্ছে তদন্তকারীদের।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মং টিংঞো পর্যাপ্ত পুলিশি সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। তবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান দাবি করেন, হাসপাতালে পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। তার মতে, হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
ঘটনা তদন্তে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। এদিকে দ্বিতীয় শিশু চুরির পর ক্ষুব্ধ স্বজন ও স্থানীয়রা হাসপাতালে ভাঙচুর করেন। পরপর দুটি ঘটনায় রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।


