চবি শিক্ষার্থীদের শেষ মুহুর্তের রমজানের প্রস্তুতি

0

রমজানের চাঁদ দেখা গিয়েছে। আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। এদিকে এ বছর রমজানেও চলবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ক্লাস। ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ক্লাস চলার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

ফলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় কটেজে ও মেসে অবস্থান করছেন। ক্যাম্পাসেই তারা সেরে নিয়েছেন রমজানের প্রস্তুতি।

ক্যাম্পাসের বিভিম্ন মুদি দোকানে শিক্ষার্থীদের লক্ষ্যনীয় মাত্রায় ভিড় দেখা গিয়েছে। তারা সেরে নিচ্ছেন পবিত্র রমনানের শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি।

শনিবার (২ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা গেছে, চবি ক্যাম্পাসের প্রায় সকল মুদি দোকানিই ব্যস্ত সময় পার করছেন। এছাড়াও প্রায় প্রতিটি দোকানেই চবি শিক্ষার্থীরা ভিড় করে রমজানের ইফতার ও সেহরির জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী ক্রয় করছেন।

এসময় কথা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী নূর নবি রবিনের সাথে। তিনি চট্টগ্রাম খবরকে জানান, বিশ্ববিদ্যালয় এবারে রমজানের ছুটি না দেওয়ার ফলে ক্যাম্পাসেই আমরা রমজানের সিয়াম সাধনা করছি। আজ চাঁদ দেখা যাওয়ার পর মনে একটা পবিত্র অনুভূতি জাগ্রত হয়েছে। একটু পর তারাবীর নামাজ পড়তে যাব। তারাবীর নামাজে যাওয়ার আগে রমজানের শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি হিসেবে সেহেরি ও ইফতারের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে এসেছি।

তিনি আরো বলেন, তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছরের দ্রব্যমূল্যের দাম বেশি। যা কখনোই একটি সন্তোষজনক বিষয় হতে পারে না। কর্তৃপক্ষের উচিত মাহে রমজানের পবিত্রতার কথা চিন্তা করে দ্রব্যমূল্যের দাম সর্বস্তরের মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসা।

এদিকে, গত দুই বছর করোনার লকডাউনে ফলে ব্যবসা খুব একটা ভাল যায় নি ব্যবসায়ীদের। কিন্তু এবছর লকডাউন না থাকায় তারা পুরোদমে ব্যবসা চালিয়ে নিতে পারছেন। যার ফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ক্যাম্পাসের দোকানিরা।

আমানত হলের সামনে অবস্থিত মা-বাবা স্টোরের স্বত্বাধিকারী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসাইন বলেন, গত দুই বছর লকডাউনের কারণে আমাদের ব্যবসা এক প্রকার বন্ধই ছিল। এ বছর আর লকডাউন নেই। তাছাড়া ক্লাস বন্ধ না হওয়াতে শিক্ষার্থীরাও ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন। ফলে এখন আল্লাহর রহমতে বেচাকেনা ভালোই হচ্ছে।

দ্রব্যমূল্যের দাম বেশির ব্যাপারে তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের দাম কম হলে সবার জন্যই লাভ। কিন্তু আমাদের তো কিছুই করার নেই। আমাদেরও তা বাইর থেকে বেশি দামে ক্রয় করতে হচ্ছে। যার ফলে বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। কর্তৃপক্ষ যদি দাম না কমায় তাহলে আমাদের বাধ্য হয়েই বেশি দামে বিক্রি করতে হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।

ksrm