আনোয়ারায় জলমহাল পাড় দখল-বেদখল নিয়ে উত্তেজনা, ক্ষুব্ধ মৎস্যজীবীরা

0

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার চাতরী ইউনিয়নের কেঁয়াগড়–কান্দুরিয়া খালে জলমহাল পাড় দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। নিয়মনীতি উপেক্ষা করে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের পরিবর্তে অন্য পেশার লোকজনকে পাড় ইজারা দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় মৎস্যজীবীরা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে প্রতি বছর প্রকৃত মৎস্যজীবীদের জলমহাল পাড় ইজারা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও ৫ আগস্টের পর থেকে বিষয়টি স্বচ্ছভাবে হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে নামমাত্র মূল্যে অন্য পেশার লোকজনকে পাড় ব্যবহার ও মাছ শিকারের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার সরেজমিনে গিয়ে এবং ইউপি সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কেঁয়াগড়–কান্দুরিয়া খালে একাধিক পাড় রয়েছে, যেগুলো উপজেলা মৎস্য অফিসের নিবন্ধনের আওতায় ছিল। তবে ২০১৯ সালের পর এসব পাড় হালনাগাদ না হওয়ায় জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। বর্তমানে এসব পাড় নিয়ে দখল-বেদখল ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে।

অভিযোগ রয়েছে, মাত্র ১৫ হাজার টাকার নামমাত্র অনুমতিপত্রের মাধ্যমে প্রায় ৮টি পাড় বসিয়ে মাছ শিকারের সুযোগ দেওয়া হয়েছে ভিন্ন পেশার মানুষদের, ফলে প্রকৃত মৎস্যজীবীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।

চাতরী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বিকাশ ঘোষ বলেন, এলাকাটি আমার হলেও জলমহাল পাড় ইজারার বিষয়ে আমি অবগত নই।

ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোহাম্মদ শাহ্ আলম জানান, মো. নাজিম উদ্দীন নামে একজনের আবেদনের ভিত্তিতে প্রশাসকের যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত মৎস্যজীবীকে অনুমতিপত্র দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে আনোয়ারা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ম. রাশিদুল হক চৌধুরী বলেন, আগে মৎস্য অফিস ইজারা দিত। বর্তমানে বিষয়টি স্থানীয় পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেখভাল করছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।