চট্টগ্রামের আনোয়ারার তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪ ও জিপিএ-৫ অর্জনকারী কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করেছেন চাতরী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা যুবদল নেতা এডভোকেট নুরুল কবির রানা।
‘ফুলের মত ফুটবো মোরা, আলোর ন্যায় ছুটবো। জ্ঞানের আলো সাথে নিয়ে দেশটাকে গড়বো’—এ শ্লোগানে তরুণ প্রজন্মকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করা এবং তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে এই উৎসাহমূলক আয়োজনটি করেন তিনি।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কৈনপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ে হলরুমে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনায় সভাপতিত্বে করেন উদ্যোক্তা চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা যুবদল নেতা এডভোকেট নুরুল কবির রানা।
সংবর্ধনায় অতিথিদের বক্তব্য রাখেন, কৈনপুরা এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য নিতাই চন্দ্র দে, কৈনপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রবীণ শিক্ষক মিলন কান্তি শীল, দৈনিক আজাদীর প্রতিনিধি এম নুরুল ইসলাম, দৈনিক কালবেলার প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম, দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি মো. ইমরান হোসাইন, আনোয়ারা উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব নাজিম উদ্দিন, চাতরী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি রমজান আলী, যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা রাশেদ ইকবাল, মোহাম্মদ জিকু, শুভ দেবনাথ, জাকারিয়া, সিফাত, রায়হান, মারুফ, হামিদ, অয়ন পাল, অমিত নাগ, নিসান নাথসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিপুল সংখ্যক অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে এডভোকেট নুরুল কবির রানা বলেন, ‘আজ যে জিপিএ–৪ বা জিপিএ—৫ পেয়েছ, এটা জীবনযাত্রার সূচনামাত্র। শুরু হলো তোমাদের নতুন জীবন। পরবর্তী যে ধাপগুলো আছে, সেখানে তোমাদেরকে অনেক মনোযোগী হতে হবে, অনেক পরিশ্রম করতে হবে। তাহলেই তোমরা সফল হবে।’
এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকদের ত্যাগের মূল্য দিতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শুধু জিপিএ–৫ পেলেই চলবে না। বিদ্যালয়ের শিক্ষক, মা–বাবাকে সম্মান করতে হবে, শ্রদ্ধা করতে হবে। তাঁদের যে ত্যাগ, এখন হয়তো তোমাদের অনুভবে আসবে না, উপলব্ধিতে আসবে না। যখন তোমরা অভিভাবক হবে বা মা–বাবা হবে, তখন বুঝতে পারবে যে একজন অভিভাবক তোমাদের পেছনে কতটুকু ত্যাগ স্বীকার করেন।’
তিনি আরও বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামীর ভবিষ্যৎ। তাদের সঠিক চর্চা ও উৎসাহ দিলে তারা সমাজ ও দেশকে বদলে দিতে পারবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের শিক্ষা-সহায়ক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
তার এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে অভিভাবকরা বলেন, এই ধরনের স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও অনুপ্রেরণা জোগাবে।
অনুষ্ঠানে চাতরী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, সিংহরা উচ্চ বিদ্যালয় ও কৈনপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯১জন কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। কাঙ্ক্ষিত সম্মাননা হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা যায় আনন্দ ও উচ্ছ্বাস। পুরো আয়োজন জুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।


