চট্টগ্রাম বন্দরে স্ক্র্যাপ পেপারের ঘোষণায় মিলল ৮.২৫ টন তামাক

0

চট্টগ্রাম বন্দরে অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের নাম ও তথ্য ব্যবহার করে আমদানি করা একটি চালান শনাক্ত করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। কায়িক পরীক্ষায় চালানটিতে প্রায় ৮ দশমিক ২৫ টন তামাক বা তামাকসদৃশ সামগ্রী, বিভিন্ন রঙের সন্দেহজনক পাউডার এবং স্ক্র্যাপ পেপার পাওয়া গেছে।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর চালানটির কায়িক পরীক্ষা করা হয়। এতে দুটি হাউজ বিল অব ল্যান্ডিংয়ের (বি/এল) আওতায় ২ হাজার ৪০ প্যাকেজে মোট ১৭ হাজার ৫১৩ দশমিক ৪ কেজি পণ্য পাওয়া যায়। চালানটি কলকাতা থেকে ‘এমভি উদ্দিপন এক্সপ্রেস’ জাহাজে করে চট্টগ্রাম বন্দরে আসে।

প্রথম হাউজ বি/এলে ৪৭৩ প্যাকেজে ‘পান মশলা ও জর্দা’ ঘোষণা দিয়ে ৮ হাজার ৯৭৪ কেজি পণ্য আমদানির কথা বলা হয়। তবে পরীক্ষায় ৪৭০ প্যাকেজে ৮ হাজার ২৫০ দশমিক ৪ কেজি তামাক বা তামাকসদৃশ সামগ্রী পাওয়া যায়।

কাস্টমস কর্মকর্তারা এসব পণ্যের মধ্যে বিভিন্ন রঙের পাউডারজাত পদার্থও দেখতে পান। এগুলো বাহ্যিকভাবে সন্দেহজনক মনে হলেও এতে মাদক বা নিষিদ্ধ কোনো উপাদান রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ল্যাবরেটরি পরীক্ষার পর এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

অন্যদিকে দ্বিতীয় হাউজ বি/এলে ১ হাজার ৫৭০ প্যাকেজে ‘প্রিন্টেড পেপার ক্যাটালগ’ ঘোষণা করা হয়। এর বিপরীতে কায়িক পরীক্ষায় পাওয়া যায় ৯ হাজার ২৬৩ কেজি বা প্রায় ৯ দশমিক ২৬ টন স্ক্র্যাপ পেপার।

চালানটির নথিতে আমদানিকারক হিসেবে ‘অথয় এন্টারপ্রাইজ’-এর নাম ব্যবহার করা হলেও প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী জানিয়েছেন, এ আমদানির বিষয়ে তিনি বা তার প্রতিষ্ঠান কিছুই জানেন না। তার দাবি, কোনো অসাধু চক্র প্রতিষ্ঠানের নাম ও আমদানি-সংক্রান্ত তথ্য ব্যবহার করে চালানটি এনেছে।

এ ঘটনায় চালানটির প্রকৃত আমদানিকারক, পণ্যের প্রকৃতি ও আমদানির পদ্ধতি নিয়ে তদন্ত করছে সিআইআইডি। সন্দেহজনক পাউডারজাত পদার্থের পরীক্ষার ফল পাওয়ার পর সেগুলোর প্রকৃত পরিচয়ও নিশ্চিত হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।