দীর্ঘদিন পর প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা পুনরায় চালু হওয়ায় পাহাড়ি জনপদ খাগড়াছড়ির শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে বিরাজ করছে আনন্দ ও উৎসাহপূর্ণ পরিবেশ। এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা।
সরজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকেই বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি। আত্মবিশ্বাস আর আগ্রহ নিয়েই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে কোমলমতি শিশুরা।
শিক্ষক ও অভিভাবকরা বলেন, দীর্ঘদিন পর এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াবে এবং তাদের মেধা বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। পার্বত্যাঞ্চলের শিক্ষার মানোন্নয়নে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করতে বলেন এ খাত সংশ্লিষ্টদের।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সহকারী কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা জানান, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণ করা হচ্ছে, সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের ঘাটতি নেই।
এদিকে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে হল পরিদর্শন করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিখিল মৃধা।
দেশের ৬১ জেলায় গত ১৫ এপ্রিল থেকে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হলেও তিন পার্বত্য জেলায় তা শুরু হয়েছে আজ ১৭ এপ্রিল। এরই ধারাবাহিকতায় খাগড়াছড়িতে সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত গণিত পরীক্ষার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। যা ১৭-২০ এপ্রিল ৪ দিনব্যাপী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এবার জেলার ৯টি উপজেলার ১৩টি কেন্দ্রে মোট ৩ হাজার ৮৩৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। এর মধ্যে বালক ১ হাজার ৬২৩ জন এবং বালিকা ২ হাজার ২১৪ জন। উপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ৬৪১জন এবং অনুপস্থিতির সংখ্যা ১ হজার ১৯৬ জন। পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির হার ৬৯ শতাংশ বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ।


