বিদেশফেরত কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও টেকসই পুনরেকত্রীকরণ নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের তাগিদ দিয়েছেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শরীফ উদ্দীন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ‘রেফারেল পথনির্দেশনা ও সেবা সংযোগ’ শীর্ষক অংশীজন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তাগিদ দেন।
শরীফ উদ্দীন বলেন, জেলা পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে বিদেশফেরত কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও প্রয়োজনীয় রেফারেল সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব। অনিয়মিত পথে বিদেশ গিয়ে নিঃস্ব হয়ে ফেরা ব্যক্তিদের সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পুনরেকত্রীকরণেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে তারা পুনরায় অনিরাপদ অভিবাসনের ঝুঁকিতে না পড়েন।
সুইজারল্যান্ডের সহায়তায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের ‘রিইন্টিগ্রেশন অব মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কার্স ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের আওতায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ-কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (বিকেটিটিসি), চট্টগ্রামের অধ্যক্ষ পলাশ কুমার বড়ুয়া। তিনি বলেন, প্রত্যাগত কর্মীদের চাহিদা অনুযায়ী কারিগরি প্রশিক্ষণ ও প্রাতিষ্ঠানিক রেফারেল সেবা নিশ্চিত করা জরুরি।
কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস (ডেমো), চট্টগ্রামের সহকারী ব্যবস্থাপক মহেন্দ্র চাকমা বিদেশফেরতদের সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেন। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের জোনাল হেড মো. হারুন অর রশিদ বিদেশফেরত কর্মীদের পুনর্বাসনে ব্যাংকের ঋণ ও আর্থিক সেবার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
ব্র্যাকের রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক অনিক আহম্মেদ অপু কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, সরকারি-বেসরকারি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও বিদেশফেরতদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি করাই কর্মশালার মূল লক্ষ্য।
কর্মশালায় চট্টগ্রাম জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, বিআরটিএ, বিসিক, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি ব্র্যাক, ব্যুরো বাংলাদেশ, ইপসা, ঘাসফুল, অপরাজেয় বাংলাদেশ, কারিতাস, ইউসেপ, ঊষা নারী উন্নয়ন সংস্থা ও প্রত্যাশীসহ বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।


