চট্টগ্রাম নগরের পর এবার সীতাকুণ্ড ও কর্ণফুলী উপজেলায়ও এশিয়ান টাইগার মশা বা এডিস অ্যালবোপিকটাসের লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য বিভাগের জরিপে এসব এলাকায় এডিস ইজিপ্টাইয়ের পাশাপাশি এডিস অ্যালবোপিকটাসের লার্ভা শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, দুই উপজেলায় পাওয়া এডিসের লার্ভার ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ এডিস ইজিপ্টাই এবং ২০ থেকে ৩০ শতাংশ এডিস অ্যালবোপিকটাস। এডিস ইজিপ্টাই ডেঙ্গুর প্রধান বাহক। আর এডিস অ্যালবোপিকটাস ডেঙ্গুর পাশাপাশি চিকুনগুনিয়াও ছড়াতে পারে।
চট্টগ্রামের ডেপুটি সিভিল সার্জন সৌনম বড়ুয়া বলেন, সীতাকুণ্ড ও কর্ণফুলীর বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানিতে এডিসের লার্ভা পাওয়া গেছে। এসব স্থান পরিষ্কার করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
জেলা কীটতত্ত্ববিদ (ভারপ্রাপ্ত) সৈয়দ মো. মঈন উদ্দীন বলেন, সীতাকুণ্ডে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, কৌটা ও টায়ারে জমে থাকা পানিতে এবং কর্ণফুলীতে বাড়ির আশপাশের পাত্র ও ফুলের টবে জমে থাকা পানিতে এডিসের লার্ভা পাওয়া গেছে।
এদিকে চট্টগ্রামে ডেঙ্গু সংক্রমণও বাড়ছে। জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৭০ জন।
চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান বলেন, দিনের বেলাতেও বিশ্রামের সময় মশারি ব্যবহার এবং সম্ভব হলে ফুলহাতা পোশাক পরা উচিত। বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি এডিসের প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে সচেতন হতে হবে।


