রাঙামাটির ফিলিং স্টেশনগুলোতে গভীর রাত থেকেই ভিড়

রাঙামাটিতে জ্বালানি তেল সরবরাহের নির্ধারিত সময়সূচি ঘিরে ফিলিং স্টেশনগুলোতে গভীর রাত থেকেই দীর্ঘ সারি ও ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বুধবার (১ এপ্রিল) সকাল থেকে তেল দেওয়া হলেও আগেভাগেই মোটরসাইকেল নিয়ে অনেকেই লাইনে অপেক্ষা শুরু করেন, ফলে অনেক স্টেশনে রাত থেকেই ভিড় জমে যায়।

রিজার্ভ বাজার এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে ভোর থেকে অপেক্ষা করতে দেখা যায় বিভিন্ন পেশার মানুষকে। একজন স্কুলশিক্ষক রাত তিনটা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার পর মাত্র সীমিত পরিমাণ জ্বালানি পান বলে জানান। একইভাবে বিভিন্ন স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পর অল্প পরিমাণ তেল পেতে দেখা গেছে অনেককে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাঙামাটির পাহাড়ি ভূপ্রকৃতির কারণে মোটরসাইকেলই প্রধান যাতায়াত মাধ্যম। ফলে জ্বালানি তেল না পেলে দৈনন্দিন কাজ, কর্মস্থলে যাতায়াত এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অনেকেই নির্ধারিত সময়ের আগেই এসে সিরিয়াল নেওয়ার চেষ্টা করছেন, যাতে তেল পাওয়া নিশ্চিত হয়।

জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট ধরনের জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে এবং সীমিত পরিমাণে প্রতিটি যানবাহনে তেল দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ট্যাগ অফিসারদের তদারকিতে সুশৃঙ্খলভাবে জ্বালানি বিতরণ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নিশাত শারমিন জানান, দুজন যুগ্ম সচিব এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাঙামাটির পেট্রলপাম্পগুলোয় সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে। জ্বালানি তেলের সংকট রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘জেলায় জ্বালানি তেলের সংকট নেই। সংকটের আশঙ্কায় অনেকেই বারবার পাম্পে এসে জ্বালানি তেল নিচ্ছেন। তাঁদের জ্বালানি মজুত করার মানসিকতার কারণে অন্যদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।’

মন্তব্য নেওয়া বন্ধ।