চট্টগ্রামের হাটে বাড়ছে গরু, বেচাকেনা কম

0

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন পশুর হাটে কোরবানির গরু আসতে শুরু করেছে। সাগরিকা গরু বাজার, মইজ্জারটেক, বাকলিয়া নুর নগর হাউজিং এবং কালুরঘাট এলাকার বিভিন্ন এগ্রো ফার্মসহ অস্থায়ী হাটগুলোতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রাকভর্তি গরু আসছে।

প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ট্রাকভর্তি গরু শহরে প্রবেশ করছে। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আনা পশুগুলোকে যত্নসহকারে নামিয়ে নির্ধারিত স্থানে রাখা হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা গরুর পরিচর্যা, খাবার ও বিশ্রামের বিষয়ে বিশেষ নজর দিচ্ছেন।

বেচাকেনার পাশাপাশি হাটের চারপাশে এখনও চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। কোথাও বাঁশের কাঠামো নির্মাণ, কোথাও অস্থায়ী দোকান বসানোর কাজ, আবার কোথাও নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলছে।

হাটে গরু আসা শুরু হলেও এখনো ক্রেতাদের ভিড় তুলনামূলকভাবে কম। তবে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। অনেকেই পরিবার নিয়ে এসে পশুর আকার, জাত ও দাম সম্পর্কে ধারণা নিচ্ছেন।

ব্যবসায়ীদের মতে, ঈদ ঘনিয়ে এলে বেচাকেনা আরও জমজমাট হবে। শেষ সময়ে ক্রেতার চাপ বাড়বে এবং ভালো দামে গরু বিক্রি সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তারা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পর্যাপ্ত পশু সরবরাহ থাকায় এবার কোরবানির পশুর ঘাটতির আশঙ্কা নেই বলেও জানান তারা।

ঈদুল আজহা যত ঘনিয়ে আসছে, ততই নগরীর পশুর হাটগুলো প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। প্রস্তুতি, ব্যস্ততা ও প্রত্যাশার মিশেলে এসব হাট এখন কোরবানির ঈদকে ঘিরে এক গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে। আগামী কয়েকদিনে বেচাকেনা আরও বাড়বে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলায় এবার মোট ৭ লাখ ৮৩ হাজার ১৫১টি গবাদি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে গরু ৪ লাখ ৯৯ হাজার ২৭৯টি, ছাগল ১ লাখ ৯৪ হাজার ৫১৯টি, মহিষ ৪৭ হাজার ৮৩৪টি এবং ভেড়া ৪১ হাজার ৪২৩টি। চলতি বছর কোরবানির জন্য চাহিদা ধরা হয়েছে ৮ লাখ ১৮ হাজার ৬৭১টি পশু।

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।